প্রকাশিত: ১৯ মার্চ ২০২৬, ০১:১৬ পিএম
1700
১৪ মে ২০২৬, ০৯:২১ পিএম
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানবাহনের অতিরিক্ত চাপ
পবিত্র ঈদকে সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের চাপ বেড়েছে দেশের মহাসড়কগুলোতে। বিশেষ করে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানবাহনের অতিরিক্ত চাপের কারণে প্রায় ২০ কিলোমিটার এলাকায় ধীরগতির সৃষ্টি হয়েছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন হাজারো যাত্রী ও পরিবহন সংশ্লিষ্টরা।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকাল থেকে মহাসড়কের যমুনা সেতু এলাকা থেকে রাবনা বাইপাস পর্যন্ত দীর্ঘ এলাকায় যানবাহন ধীরগতিতে চলতে দেখা যায়। এলেঙ্গা বাসস্টেশন, আশেকপুর বাইপাসসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে যানবাহনের চাপ স্পষ্টভাবে লক্ষ্য করা গেছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বাসের তুলনায় প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেলের সংখ্যা বেশি। অনেক যাত্রী ঝুঁকি নিয়ে ট্রাক, পিকআপ ও মাইক্রোবাসে করে গন্তব্যে যাচ্ছেন। পর্যাপ্ত পরিবহন সংকট এবং অতিরিক্ত ভাড়ার কারণে অনেকেই বাধ্য হয়ে খোলা ট্রাক বা পিকআপে যাত্রা করছেন। ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল ও ব্যক্তিগত গাড়িও ব্যাপকভাবে ব্যবহার করছেন যাত্রীরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতু দিয়ে মোট ৫১ হাজার ৫৮৪টি যানবাহন চলাচল করেছে। এর মধ্যে উত্তরবঙ্গমুখী যানবাহনের সংখ্যা ছিল ৩২ হাজার ৮৪০টি, যেখান থেকে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৯৭ লাখ ১০ হাজার ৬৫০ টাকা। অপরদিকে ঢাকামুখী ১৮ হাজার ৭৪৪টি যানবাহন পারাপার হয়েছে, যার বিপরীতে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৫৪ লাখ ৭১ হাজার ৯৫০ টাকা। আগের দিনের তুলনায় এদিন প্রায় ৪ হাজার ৬৪১টি বেশি যানবাহন চলাচল করেছে।
এছাড়া গত চার দিনে সেতু দিয়ে মোট ১ লাখ ৫৯ হাজার ৬২৫টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে মোট টোল আদায় হয়েছে ১২ কোটি ৫ লাখ ৪৩ হাজার ৮৫০ টাকা।
এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ শরীফ জানান, যানবাহনের অতিরিক্ত চাপ এবং পথে গাড়ি বিকল হয়ে পড়ার কারণে রাত থেকে ভোর পর্যন্ত ধীরগতির সৃষ্টি হয়। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাজ করছে।
তিনি আরও বলেন, ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং যানজট নিরসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। যাত্রীরা ধীরগতির মধ্যেও নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেন বলেও তিনি জানান।