প্রকাশিত: ২০ মার্চ ২০২৬, ১০:০৮ এএম
1701
১৪ মে ২০২৬, ০৯:২১ পিএম
সোনার বাজারে নতুন দর কার্যকর
দেশের স্বর্ণবাজারে একদিনের ব্যবধানে বড় ধরনের মূল্য সমন্বয় ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।
দিনের শুরুতে এক দফা এবং বিকেলে আরেক দফা দাম কমানোর ফলে মোট হিসাবে প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম কমেছে ১৫ হাজার ৩৩৮ টাকা।
বিকেলে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, নতুন নির্ধারিত মূল্য সেদিন বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিট থেকে কার্যকর হয়েছে।
নতুন দর অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৬ হাজার ৯২৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৫ হাজার ৬৭১ টাকা, ১৮ ক্যারেট স্বর্ণ ২ লাখ ২ হাজার ২০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৫২১ টাকা।
বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের মূল্য কমে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এই নতুন দর নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে একই দিনে সকালে প্রথম দফায় স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়। তখন প্রতি ভরিতে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৫৪ হাজার ৬২৫ টাকা। একই সময় ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ৪৩ হাজার ১৯ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ লাখ ৮ হাজার ৩১৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ছিল ১ লাখ ৬৯ হাজার ৬৫৩ টাকা। এই দর সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছিল।
পরে মাত্র ছয় ঘণ্টার ব্যবধানে দ্বিতীয় দফায় আবারও দাম কমানো হয়। দ্বিতীয় দফায় প্রতি ভরিতে ৭ হাজার ৬৯৮ টাকা কমিয়ে নতুন করে মূল্য নির্ধারণ করা হয়, যা বিকেল থেকে কার্যকর হয়।
চলতি বছরে এখন পর্যন্ত দেশের স্বর্ণবাজারে মোট ৪৫ বার মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৬ দফায় দাম বেড়েছে এবং ১৯ দফায় কমানো হয়েছে। অন্যদিকে, ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যেখানে ৬৪ বার দাম বৃদ্ধি এবং ২৯ বার হ্রাস করা হয়।
বর্তমান পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাব, ডলার বিনিময় হার এবং স্থানীয় বাজারে কাঁচামালের দামের ওঠানামার কারণে স্বর্ণের দামে ঘন ঘন পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।