প্রকাশিত: ১৩ মে ২০২৬, ১১:৩৫ এএম
1701
১৪ মে ২০২৬, ১০:১১ পিএম
শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত দুই বিমা কোম্পানি ২০২৫ হিসাব বছরের জন্য বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে সাধারণ বিমা খাতের নর্দার্ন ইসলামী ইন্স্যুরেন্স এবং জীবন বিমা খাতের ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স উল্লেখযোগ্য হারে লভ্যাংশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত পৃথক পরিচালনা পর্ষদের সভায় নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদনের পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের জন্য এই লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়। বুধবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি প্রকাশ করা হয়েছে।
নর্দার্ন ইসলামী ইন্স্যুরেন্স ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য মোট ১০ শতাংশ লভ্যাংশ সুপারিশ করেছে। এর মধ্যে ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ এবং ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দেওয়া হবে। কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ জানিয়েছে, বিনিয়োগকারীদের জন্য ধারাবাহিক রিটার্ন নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আর্থিক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, আলোচিত বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৬৮ পয়সা। আগের বছরে একই সময়ে ইপিএস ছিল ১ টাকা ৮১ পয়সা। এছাড়া ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৫ টাকা ৪৮ পয়সা।
কোম্পানিটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ২৯ আগস্ট সকাল ১১টায় অনুষ্ঠিত হবে। এ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ২৮ জুন।
অন্যদিকে, জীবন বিমা খাতের ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স ২০২৫ হিসাব বছরের জন্য বিনিয়োগকারীদের ৩৭ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। যদিও কোম্পানিটি এখনো তাদের পূর্ণাঙ্গ আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেনি, তবে উচ্চ হারের নগদ লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ইতোমধ্যে আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্সের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ৩০ জুন দুপুর ১২টায় অনুষ্ঠিত হবে। এই কোম্পানির রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ৭ জুন।
পুঁজিবাজার বিশ্লেষকদের মতে, বিমা খাতের কোম্পানিগুলোর ধারাবাহিক লভ্যাংশ ঘোষণা বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে নগদ লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের কাছে বেশি আকর্ষণীয় হিসেবে বিবেচিত হয়। একইসঙ্গে স্টক লভ্যাংশ কোম্পানির মূলধন সম্প্রসারণেও সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মধ্যেও বিমা খাতের কিছু প্রতিষ্ঠানের ইতিবাচক আর্থিক অবস্থান পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে সহায়ক হতে পারে।