বৃহস্পতিবার ১৪, মে ২০২৬

১৪ মে ২০২৬, ১০:১১ পিএম

 বিমা খাতের শেয়ারে ভর করে ডিএসইতে সূচকের উত্থান, কমেছে লেনদেন

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৩ মে ২০২৬, ০৬:৩৬ পিএম

1698

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বুধবার (১৩ মে) লেনদেনের শুরুতে ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেলেও দিনের শেষভাগে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দর কমেছে। তারপরও বিমা খাতের শেয়ারের ঊর্ধ্বগতির কারণে ডিএসইর সব মূল্যসূচক বাড়তে সক্ষম হয়েছে। তবে সূচক বাড়লেও কমেছে মোট লেনদেনের পরিমাণ।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, দিনের শুরু থেকেই বেশ কয়েকটি বিমা কোম্পানির শেয়ারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ে। এর প্রভাবে লেনদেনের শুরুতে সূচক ইতিবাচক অবস্থানে উঠে যায়। দিনের পুরো সময়জুড়েই বিমা খাতের অনেক প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর বাড়তে থাকে। যদিও শেষদিকে অন্যান্য খাতের কিছু প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর কমে যাওয়ায় পতনের তালিকা বড় হয়েছে।

দিন শেষে ডিএসইতে মোট ১৫২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। বিপরীতে ১৮৬টি প্রতিষ্ঠানের দর কমেছে এবং ৫৫টি প্রতিষ্ঠানের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বিশেষ করে বিমা খাতে ৪১টি কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে, যেখানে কমেছে ১৬টির।

এদিন ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের কার্যদিবসের তুলনায় ১৩ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ২৪৩ পয়েন্টে। এছাড়া ডিএসই-৩০ সূচক ১ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৯৯০ পয়েন্টে অবস্থান করছে। একই সঙ্গে ডিএসই শরিয়াহ সূচকও ১ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৬৫ পয়েন্টে উঠে এসেছে।

অন্যদিকে, সূচকের উত্থান হলেও লেনদেনের পরিমাণে কিছুটা ধীরগতি লক্ষ্য করা গেছে। বুধবার ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৮৫৬ কোটি ৯ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট। আগের কার্যদিবসে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ১০১ কোটি ৫২ লাখ টাকা। সেই হিসাবে একদিনের ব্যবধানে লেনদেন কমেছে প্রায় ২৪৫ কোটি ৪৩ লাখ টাকা।

অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) মিশ্র প্রবণতা দেখা গেছে। সেখানে সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই ১৩ পয়েন্ট কমেছে। এদিন সিএসইতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ২২৭টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৯৫টির দর বেড়েছে, ১০৫টির দর কমেছে এবং ২৭টির দাম অপরিবর্তিত ছিল।

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে এদিন মোট লেনদেন হয়েছে ৩৪ কোটি ৬৩ লাখ টাকা, যা আগের কার্যদিবসের তুলনায় বেশি। এর আগের দিন সেখানে লেনদেন হয়েছিল ২১ কোটি ৫ লাখ টাকা।

বিশ্লেষকদের মতে, বিমা খাতে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বৃদ্ধি পাওয়ায় সূচকে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। তবে সামগ্রিক বাজারে বিক্রয়চাপ এবং অন্যান্য খাতের দুর্বল পারফরম্যান্সের কারণে লেনদেনের গতি কিছুটা কমে গেছে।

Link copied!