প্রকাশিত: ১৫ জুন ২০২৬, ০৫:০৯ পিএম
1693
১৫ জুন ২০২৬, ০৬:৪৯ পিএম
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী
দেশের বর্তমান ভঙ্গুর অর্থনীতিকে প্রথমে সম্পূর্ণ স্থিতিশীল করা এবং পরবর্তীতে ধাপে ধাপে সমৃদ্ধির পথে নিয়ে যাওয়াই সরকারের মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। একইসঙ্গে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুফল যেন সমাজের একদম প্রান্তিক ও প্রতিটি মানুষের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছায় এবারের জাতীয় বাজেটে সে বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
আজ সোমবার বিকেলে সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত ফ্যামিলি কার্ড প্রদান সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির চতুর্থ গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এই সব কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন যে নতুন বাজেটে ভঙ্গুর অর্থনীতি থেকে স্থিতিশীল অর্থনীতি এবং স্থিতিশীল অর্থনীতি থেকে সমৃদ্ধির অর্থনীতিতে রূপান্তরের বিষয়টি খুব পরিষ্কারভাবে বলা হয়েছে। প্রথম দিকে আমাদের প্রধান কাজ হলো ভঙ্গুর অর্থনীতিকে দ্রুত স্থিতিশীল করা। দেশের সার্বিক পরিস্থিতি একবারে স্থিতিশীল হয়ে গেলে আমরা সরাসরি সমৃদ্ধির পথে যাবো এবং তখন দেশের অর্থনীতি খুব শক্তিশালীভাবে ঘুরে দাঁড়াবে।
আজকের এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এবং সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন পুতুলসহ স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন এবং সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম ও সমাজকল্যাণ সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
দরিদ্র ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য চালু থাকা ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে সাংবাদিকদের এক সুনির্দিষ্ট প্রশ্নে অর্থমন্ত্রী বলেন যে কার্ডের মাধ্যমে প্রকৃত সুবিধাভোগীদের হাতে টাকাটা দেওয়ার পরে আমরা মাঠপর্যায়ে জানতে চাচ্ছি তাদের প্রাত্যহিক জীবনের পরিবর্তনটা ঠিক কতটুকু হয়েছে। এটার একটি সঠিক পরিমাপ বা মূল্যায়ন করা আমাদের জন্য অত্যন্ত দরকার। কারণ আমাদের তো নিশ্চিতভাবে জানতে হবে যে এই সরকারি আর্থিক সহায়তা পাওয়ার পর তাদের জীবনযাত্রার মান কীভাবে উন্নত হলো। আমরা তো মূলত চাচ্ছি তাদের জীবনে স্থায়ী পরিবর্তন আনার জন্য এবং সেটা কতটুকু অর্জিত হচ্ছে সেটা আমাদের অবশ্যই জানতে হবে।
তিনি আরও বলেন যে এই সহায়তার পরেও সমাজে আবার কেউ যদি অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে যায় তাহলে কেন পিছিয়ে গেল সেটাও গভীরভাবে বিশ্লেষণ করতে হবে। এই সংক্রান্ত সঠিক তথ্য হাতে থাকলে ভবিষ্যতে সাধারণ মানুষের কল্যাণে আরও বেশি কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হবে।