প্রকাশিত: ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:২৩ এএম
2003
শনিবার ১৮, এপ্রিল ২০২৬ -- : -- --
হজ ফ্লাইট উদ্বোধনের সময় হজযাত্রীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বিনিময়
পবিত্র হজ উপলক্ষে ২০২৬ সালের হজ ফ্লাইট কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার রাত ১১টা ৩৫ মিনিটে রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধনী ফ্লাইটে গিয়ে হজযাত্রীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের কাছে দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনায় দোয়া প্রার্থনা করেন। তিনি বলেন, হজযাত্রীরা আল্লাহর বিশেষ মেহমান, আর তাদের দোয়া মহান আল্লাহর কাছে অধিকতর গ্রহণযোগ্য। যারা পবিত্র হজ পালনের সুযোগ পেয়েছেন, তারা যেন দেশ ও জনগণের কল্যাণে আন্তরিকভাবে দোয়া করেন।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের অগ্রগতি ও উন্নয়নের পথে যেসব চ্যালেঞ্জ রয়েছে, সেগুলো মোকাবিলায় সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। হজযাত্রীদের দোয়ায় যেন দেশের মানুষ শান্তি, সমৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতা অর্জন করতে পারে—এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি জানান, সরকার আগামী বছর থেকে হজ ব্যবস্থাপনায় আরও সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর পাশাপাশি ব্যয় কমানোর উদ্যোগ গ্রহণ করবে।
তিনি উল্লেখ করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় থেকেই হজ ব্যবস্থাপনার অনেক প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছিল। এরপরও বর্তমান সরকার হজযাত্রীদের আর্থিক চাপ কমাতে কাজ করে যাচ্ছে এবং ইতোমধ্যে কিছু ক্ষেত্রে ব্যয় হ্রাসের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে আরও কম খরচে হজ পালনের সুযোগ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
উদ্বোধনী ফ্লাইটটি রাত ১২টা ২০ মিনিটে সৌদি আরবের জেদ্দার কিং আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। প্রথম ফ্লাইটে মোট ৪১৯ জন হজযাত্রী অংশ নেন।
উদ্বোধনের দিন মোট ১৪টি ফ্লাইট পরিচালিত হয়। এর মধ্যে ১২টি জেদ্দা এবং ২টি মদিনা বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা রয়েছে। এসব ফ্লাইটের মধ্যে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী বিমান সংস্থা ছয়টি ফ্লাইট পরিচালনা করছে এবং সৌদি আরবের দুটি এয়ারলাইনস চারটি করে ফ্লাইট পরিচালনা করছে। প্রথম দিনেই মোট ৫ হাজার ৭৫৯ জন হজযাত্রী সৌদি আরবের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন।
অনুষ্ঠানের শেষে হজযাত্রীদের নিরাপদ যাত্রা, দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও উন্নয়ন কামনা করে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে প্রধানমন্ত্রী রাজধানীর আশকোনা হজক্যাম্প পরিদর্শন করেন এবং সেখানে অবস্থানরত হজযাত্রীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।