প্রকাশিত: ২০ জানুয়ারি ২০২৬, ০৭:৪৩ এএম
2006
শুক্রবার ১৭, এপ্রিল ২০২৬ -- : -- --
ছবি: সংগৃহীত
জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় নির্বাচনী জোটের আসন বণ্টন চূড়ান্ত হয়েছে। সর্বশেষ সমঝোতা অনুযায়ী, জামায়াত ২২০টি আসনে প্রার্থী দেবে। জোটের অন্য শরিকদের মধ্যে এনসিপি পাবে ৩০টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২৩টি, খেলাফত মজলিস ১৩টি, এলডিপি ৭টি, এবি পার্টি ৪টি, নেজামে ইসলাম পার্টি ৩টি এবং বিডিপি ২টি আসনে নির্বাচন করবে।
এই বণ্টনের ফলে জোটের মোট প্রার্থী সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩০২ জন। এর বাইরে তিনটি আসন উন্মুক্ত রাখা হয়েছে, যেখানে জোটভুক্ত একাধিক দলের প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। উন্মুক্ত এসব আসনে বাংলাদেশ খেলাফত, খেলাফত মজলিস ও এবি পার্টির প্রার্থীরা থাকবেন।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি জোটের বিপরীতে জামায়াত নেতৃত্বাধীন এই জোট ২৯৯টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। বরিশাল-৫ আসনে ইসলামী আন্দোলনের আমির ও চরমোনাই পীরের ভাই সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীমের বিপক্ষে প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্তও চূড়ান্ত হয়েছে। সেখানে জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী সহকারী জেনারেল মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল মঙ্গলবার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করবেন।
১০ দলীয় জোটের একাধিক সূত্র জানায়, সোমবার রাতেই আসন সমঝোতার বিষয়টি চূড়ান্ত করা হয়। মঙ্গলবার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন, বুধবার প্রতীক বরাদ্দ এবং এর পরদিন থেকে শুরু হবে নির্বাচনী প্রচার। জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, জোটের মধ্যে আসন সমঝোতা সম্পন্ন হয়েছে এবং প্রত্যাহার প্রক্রিয়া শেষে একক প্রার্থীদের তালিকা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে।
এর আগে আসন বণ্টন নিয়ে মতবিরোধের জেরে ইসলামী আন্দোলন জোট ছাড়ার ঘোষণা দেয়। গত শুক্রবার দলটি এককভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত জানায়। এর আগের দিন জামায়াত ও এনসিপিসহ ১০ দল তিনটি আসন উন্মুক্ত রেখে ২৫০ আসনে সমঝোতার ঘোষণা দিয়েছিল। তখন ইসলামী আন্দোলনের জন্য পাঁচটি উন্মুক্তসহ ৫০টি আসন নির্ধারণ করা হয়েছিল।
এরও আগে, গত বুধবার ঘোষিত এক বণ্টনে জামায়াত চারটি উন্মুক্তসহ ১৮৩টি আসনে নির্বাচন করার কথা জানানো হয়। সেই সঙ্গে এনসিপি ৩০টি, বাংলাদেশ খেলাফত দুটি উন্মুক্তসহ ২০টি, খেলাফত মজলিস একটি উন্মুক্তসহ ১০টি, এলডিপি ৭টি, এবি পার্টি ৩টি এবং নেজামে ইসলাম পার্টি ও বিডিপি ২টি করে আসনের কথা বলা হয়েছিল।
ইসলামী আন্দোলনের জন্য নির্ধারিত উন্মুক্ত বাদে ৪৫টি আসন পুনর্বণ্টনকে কেন্দ্র করে জোটের শরিকদের মধ্যে টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়। সর্বশেষ বণ্টনে জামায়াত নিজ দখলে রাখে ৩৭টি আসন। বাংলাদেশ খেলাফত ও খেলাফত মজলিস পায় তিনটি করে এবং এবি পার্টি ও নেজামে ইসলাম পার্টি পায় একটি করে অতিরিক্ত আসন। তবে এনসিপির আসন সংখ্যা বাড়েনি, যদিও দলটি অতিরিক্ত ১০টি আসন দাবি করেছিল।