প্রকাশিত: ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:০৬ পিএম
2002
শনিবার ১৮, এপ্রিল ২০২৬ -- : -- --
বগুড়া-৬ এবং শেরপুর-৩ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলে। বর্তমানে দুই আসনেই ভোট গণনার কার্যক্রম চলছে।
বগুড়া-৬ আসনে বিএনপির প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবিদুর রহমান সোহেল এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির প্রার্থী আল আমিন তালুকদার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ভোটগ্রহণ চলাকালে জামায়াত প্রার্থী কিছু অনিয়মের অভিযোগ তুললেও শেষ পর্যন্ত ভোট বর্জন না করে ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করার সিদ্ধান্ত জানান।
জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, বগুড়া-৬ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৫০ হাজার ৩০৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ১৯ হাজার ৯২৩ জন, নারী ২ লাখ ৩০ হাজার ৩৭৪ জন এবং হিজড়া ভোটার ১০ জন। এ আসনে ১৫০টি কেন্দ্রে ৮৩৫টি বুথে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। দায়িত্বে ছিলেন দুইজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও ২০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। এছাড়া ২ হাজার ৬৫৫ জন কর্মকর্তা ভোটগ্রহণ কাজে নিয়োজিত ছিলেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ, আনসার, বিজিবি, র্যাব, সেনাবাহিনী ও ডগ স্কোয়াড মোতায়েন ছিল।
বগুড়ার রিটার্নিং কর্মকর্তা ফজলুল করিম জানান, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে কোনো বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।
অন্যদিকে, শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনেও ভোটগ্রহণ শেষে গণনা চলছে। এ আসনে বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাসুদুর রহমান এবং বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) প্রার্থী মিজানুর রহমান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
ভোট চলাকালে বিকেল ৩টার দিকে অনিয়মের অভিযোগ তুলে জামায়াত প্রার্থী মাসুদুর রহমান ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন। তবে এ বিষয়ে নির্বাচন কর্তৃপক্ষের কাছে কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি।
এদিকে নির্বাচন চলাকালে শ্রীবরদী সরকারি কলেজ মাঠ এলাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে ইটপাটকেলের আঘাতে দুইজন পুলিশ সদস্য আহত হন। আহতদের চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে।
শেরপুর-৩ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন। এখানে ১২৮টি কেন্দ্রে ৭৫১টি ভোটকক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
শেরপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, সার্বিকভাবে সুষ্ঠু পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। কিছু স্থানে জাল ভোটের অভিযোগ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুর কারণে এ আসনে পূর্বে নির্ধারিত নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছিল।