শুক্রবার ১৭, এপ্রিল ২০২৬

শুক্রবার ১৭, এপ্রিল ২০২৬ -- : -- --

স্বাধীনতা পদক ২০২৬: খালেদা জিয়ার মরণোত্তর সম্মাননা গ্রহণ করলেন জাইমা রহমান

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৩২ এএম

2018

জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পদক-২০২৬’ প্রদান করা হয়েছে। রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে এই পদক তুলে দেন তারেক রহমান।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-এর মরণোত্তর স্বাধীনতা পদক গ্রহণ করেন তাঁর নাতনি জাইমা রহমান। প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে তিনি এ সম্মাননা গ্রহণ করেন।

খালেদা জিয়াকে ‘স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, নারীশিক্ষা ও দেশ গঠনে সামগ্রিক অবদানের জন্য’ এই সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা দেওয়া হয়।

মরণোত্তর সম্মাননা পাওয়া অন্যান্য বিশিষ্টজন

খালেদা জিয়াসহ মোট সাতজনকে মরণোত্তর স্বাধীনতা পদকে ভূষিত করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন:

মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল (মুক্তিযুদ্ধ)
ড. আশরাফ সিদ্দিকী (সাহিত্য)
ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (সমাজসেবা)
মাহেরীন চৌধুরী (সমাজসেবা)
বশীর আহমেদ (সংস্কৃতি)
কাজী ফজলুর রহমান (জনপ্রশাসন)

তাঁদের পক্ষে পরিবারের সদস্যরা প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে পদক গ্রহণ করেন।

বিভিন্ন ক্ষেত্রে পুরস্কারপ্রাপ্তরা

বিজ্ঞান, সংস্কৃতি, ক্রীড়া, সমাজসেবা ও গবেষণাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য আরও কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তি পদক পান। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন:

অধ্যাপক জহুরুল করিম
এ কে এম হানিফ
জোবেরা রহমান
সাইদুল হক
মোহাম্মদ আবদুল বাকী
অধ্যাপক এম এ রহিম
অধ্যাপক সুকোমল বড়ুয়া
আবদুল মুকিত মজুমদার
প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে পুরস্কার

এ বছর পাঁচটি প্রতিষ্ঠানও স্বাধীনতা পদকে ভূষিত হয়েছে। সেগুলো হলো:

ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন
এসওএস শিশু পল্লী
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র

প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন।

স্বাধীনতা পদকের গুরুত্ব

স্বাধীনতা পদক দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা। ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এ পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে। পদকপ্রাপ্ত প্রত্যেক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ১৮ ক্যারেটের ৫০ গ্রাম স্বর্ণপদক, একটি রেপ্লিকা, নগদ তিন লাখ টাকা এবং সম্মাননাপত্র প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানের পরিবেশ ও উপস্থিতি

অনুষ্ঠানে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে সূচনা হয়। পরে পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াতসহ অন্যান্য ধর্মগ্রন্থ পাঠ করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান এবং খালেদা জিয়ার বোন সেলিমা ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সালাহউদ্দিন আহমদ এবং শফিকুর রহমান-সহ মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, বিচারপতি, তিন বাহিনীর প্রধান এবং ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন নাসিমুল গণি।

Link copied!