প্রকাশিত: ০৯ জুন ২০২৬, ০৪:২৩ পিএম
1702
১৩ জুন ২০২৬, ০৯:৫৭ এএম
মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রান তাড়া করতে নামা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নতুন বলে এক অবিশ্বাস্য ও দুর্দান্ত শুরু পেয়েছে বাংলাদেশ। বোলারদের নিয়ন্ত্রিত ও বৈচিত্র্যময় বোলিংয়ের সামনে জয়ের জন্য ২৮৫ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে অজিরা। ইনিংসের প্রথম ২ ওভারের মধ্যেই মাত্র ২ রান তুলতে ২ উইকেট হারিয়ে রীতিমতো কাঁপছে শক্তিশালী সফরকারীরা। ২ ওভার শেষে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ২ উইকেটে মাত্র ৩ রান এবং ম্যাচ জিততে হলে তাদের এখনও প্রয়োজন ২৮২ রান।
বাংলাদেশের দেওয়া লক্ষ্য তাড়া করতে নামা অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসে প্রথম ওভারেই বল হাতে চরম আঘাত হানেন ডানহাতি গতি তারকা তাসকিন আহমেদ। নিজের এবং ইনিংসের একেবারে প্রথম বলেই অজি শিবিরে ব্রেকথ্রু এনে দেন তিনি। তাসকিনের করা কিছুটা নিচু হওয়া এক দুর্দান্ত ডেলিভারিতে সম্পূর্ণ পরাস্ত হয়ে ক্লিন বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন ওপেনার ম্যাথু শর্ট।
শুরুর এই ধাক্কা অস্ট্রেলিয়া কাটিয়ে ওঠার আগেই দ্বিতীয় ওভারে বল হাতে আক্রমণে আসেন কাটার মাস্টার মুস্তাফিজুর রহমান। নিজের ওভারের প্রথম দিকেই তিনি ফিরিয়ে দেন ইনফর্ম অজি ব্যাটার মার্নাস ল্যাবুশেনকে। ফলে দলীয় স্কোরে মাত্র ২ রান যোগ হতেই টপঅর্ডারের মূল্যবান ২টি উইকেট হারিয়ে বড় ধরনের চাপে পড়ে যায় অস্ট্রেলিয়া।
এর আগে মিরপুরের চেনা উইকেটে টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে ৮ উইকেটে ২৮৪ রানের এক লড়াকু সংগ্রহ দাঁড় করায় বাংলাদেশ। যদিও ইনিংসের শুরুতেই মাত্র ৫ রান করে ওপেনার সাইফ হাসান বিদায় নিলে কিছুটা ধাক্কা খেয়েছিল স্বাগতিকরা। তবে দ্বিতীয় উইকেটে তানজিদ হাসান তামিম (৫৪) ও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর (৬৭) মধ্যকার ৯১ বলে ৯৬ রানের চমৎকার পার্টনারশিপে ঘুরে দাঁড়ায় দল
মাঝের ওভারে লিটন দাস (৭) দ্রুত বিদায় নিলে এবং মিডলঅর্ডারের অন্য ব্যাটাররা ব্যর্থ হলে বাংলাদেশ কিছুটা বিপদে পড়ে। তবে দীর্ঘ ৪ বছর পর ওয়ানডে দলে ফেরা অলরাউন্ডার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত একাই ম্যাচ টেনে নিয়ে যান। তিনি তাওহীদ হৃদয়কে (৩১) সঙ্গে নিয়ে ৭৫ রানের জুটি গড়ার পাশাপাশি শেষ পর্যন্ত ৭০ বলে ৮৬ রানের এক টর্নেডো ও ক্যারিয়ারসেরা ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন। ইনিংসের শেষদিকে তাসকিন আহমেদ ১৬ বলে ২০ রান করে মোসাদ্দেককে যোগ্য সঙ্গ দেন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে বল হাতে সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট শিকার করেন পেসার নাথান এলিস।