প্রকাশিত: ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২:১১ পিএম
1685
০১ মে ২০২৬, ০৬:৪২ এএম
তীব্র গরমে বাড়তি চাহিদা ও উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় দেশজুড়ে বেড়েছে লোডশেডিং। এতে জনজীবন, শিল্প ও কৃষিতে তৈরি হয়েছে ভোগান্তি। তবে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে বলে আশ্বাস দিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) তিনি জানান, আদানি পাওয়ার প্ল্যান্টের একটি ইউনিটে সমস্যা এবং বাঁশখালীর এসএস পাওয়ার প্ল্যান্টে উৎপাদন কমে যাওয়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহে ঘাটতি তৈরি হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং দ্রুত সমস্যা সমাধানে কাজ চলছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই বিদ্যুৎ পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ২৬ এপ্রিল থেকে আদানি পাওয়ারের সরবরাহ বাড়তে পারে। এছাড়া ২৮ এপ্রিলের মধ্যে বাঁশখালীর ৬৫০ মেগাওয়াট সক্ষমতার বিদ্যুৎকেন্দ্রটি স্বাভাবিক উৎপাদনে ফিরতে পারে।
বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ২৮ এপ্রিল থেকে জাতীয় গ্রিডে অতিরিক্ত প্রায় ১৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যুক্ত হতে পারে। পাশাপাশি মে মাসের প্রথম সপ্তাহে বন্ধ থাকা আরএনপিএন ইউনিট চালু হলে আরও প্রায় ২০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাময়িক উন্নতি হলেও স্থায়ী সমাধানে আরও সময় লাগবে। তেলভিত্তিক কেন্দ্র চালু করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা গেলেও এতে উৎপাদন ব্যয় বাড়বে এবং ভর্তুকির চাপও বাড়তে পারে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, তাৎক্ষণিকভাবে সরবরাহ বাড়লে লোডশেডিং কিছুটা কমলেও দীর্ঘমেয়াদি সমাধানে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় টেকসই পরিকল্পনা জরুরি।