প্রকাশিত: ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১১ এএম
1
বুধবার ১৫, এপ্রিল ২০২৬ -- : -- --
টাঙ্গাইলে মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের জনসভায় কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
টাঙ্গাইলের মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আয়োজিত এক জনসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, অতীতে বিতাড়িত স্বৈরাচারের প্রভাব এখনকার বিরোধীদলের আচরণে প্রতিফলিত হচ্ছে। তিনি দাবি করেন, বিরোধীদলের কর্মকাণ্ডে সেই পুরোনো রাজনৈতিক সংস্কৃতির পুনরাবৃত্তি দেখা যাচ্ছে।
মঙ্গলবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে অনুষ্ঠিত এই জনসভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীতে যখন বিএনপি সরকার গঠন করেছিল, তখন বিরোধী পক্ষ ঘোষণা দিয়েছিল যে তারা সরকারকে এক মুহূর্তও শান্তিতে থাকতে দেবে না। বর্তমান বিরোধীদলের আচরণেও একই ধারা লক্ষ্য করা যাচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি আরও বলেন, দেশের জনগণ বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। ‘জুলাই সনদ’-এ বিএনপি প্রথম স্বাক্ষর করেছিল এবং অন্য দলগুলো পরবর্তীতে এতে যুক্ত হয়েছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, যারা এখন সনদ নিয়ে বেশি কথা বলছে, তারা শুরুতেই কেন এতে অংশ নেয়নি।
প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, বিএনপি যে অঙ্গীকার করেছে, তা বাস্তবায়নে তারা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তবে কেউ যদি সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মসূচিতে বাধা সৃষ্টি করে, তাহলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তা প্রতিহত করা হবে।
তিনি বলেন, দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে কারা অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে চায়, তা নিয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। একইসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, গণতন্ত্রে মতপার্থক্য থাকা স্বাভাবিক, তবে সেই ভিন্নমত সমাধান করতে হবে আলোচনার মাধ্যমে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের সংস্কার প্রস্তাব প্রথম বিএনপিই দিয়েছিল। ২০১৬ সালে খালেদা জিয়া-এর নেতৃত্বে সংস্কারের রূপরেখা উপস্থাপন করা হয় এবং পরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলকে সঙ্গে নিয়ে আরও বিস্তৃত পরিকল্পনা নেওয়া হয়। তিনি দাবি করেন, পরবর্তীতে গঠিত সংস্কার কমিশনের অধিকাংশ প্রস্তাবই বিএনপির পূর্বের প্রস্তাবের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
ভাষণের শেষ অংশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশই সবার একমাত্র ঠিকানা। এই দেশকে ভালোবেসে এবং একসঙ্গে কাজ করেই একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গড়ে তোলা সম্ভব।